মূক, তুমি নিরাবরণ, দীন।
প্রাত্যহিক প্রাচূর্য্যের অপরিমেয় সম্ভার—
তবুও অদৃশ্য তোমার আবরণ।
মানুষের জীবন হাঁটাহাটি করে, মৃত্যুর চারি পাশে
তোমার অদৃশ্যতা মৃত্যুরই সামিল।
মূক তোমার নিরাবরণতা দীন।
কাল আবহমান, আর চারিপাশে
জাতি সূর্য্যের গর্বিত হাসি—
মৃত্যুর পূর্বে চোখের তলায় কাল দাগ পড়ে;
মৃত্যুতে মুখে ফোটে হাসি—
বংশী দাদার মেয়ে বসে গেছে ছাদনা তলায়,
কবের গোপন চিঠিতে ছিল ভালোবাসা
আর নারীর দেহ তো মিলিত নারীরই সাথে,
পৃথিবী-প্রকৃতি স্বরূপ।
নিরাবরণ, তুমি দীন, তুমি মূক।
মানুষের অস্তিত্বের ইতিহাস চাকার গতিতে নাকি লেখা,
রাস্তাইয় চলাচল, কোলাহল শহরে, কাম, ধর্ষণ সব চাকা।
চাকার অস্তিত্ব বদলায় ধীরে ধীরে, কাগজে ছবি ফুটে উঠে।
মুদ্রার স্থানে নতুন দানব রূপে চাকার প্রিয় নাম টাকা
নারীর পশ্চাৎদেশে শায়িত পুরুষ, ধীরে ধীরে হয় বেগমান,
স্তন মুষ্টিতে ধরে, ঘাড় কামড়ে নিজের জন্মের অপরাধমোচন।
তবুও অন্তহীন অসীম অসীম শূণ্যতা, তার চারিপাশে,
তার অস্তিত্ববোধে, রমণীর স্তন্যবৃন্তের চারিপাশ,
পৃথিবীর মাটির রঙের মতোই খয়েরি,
তারেই ভালোবেসেছিলো, সে মাটি ঘষেছে কপালে, বুকে,
উত্তেজনায় ভরেছে মুঠোতে, কখনোবা মুখে,
আর যন্ত্রণায় আবেগে ভেসেছে, মুখে অস্ফূট অর্থহীন আর্তনাদ,
মূক সে, প্রতিবার জীবনের শুরুতে মৃত্যুর জয়ের সংবাদ।
মূক, তুমি অপরাধী, ভাষা তোমার অপরাধ।
0 inputs:
Post a Comment