সমুদ্রে মন্দিরা বাজে কই?
পুনর্বার গর্জ্জন তুলে ঢেউ।
বালুচরের নীলবসনা নারী—
নাভির নীচে পরেছে তার শাড়ী
প্রজাপতি মনে দুঃস্বপ্নের ছায়া—
শরীরের ভাঁজে শরীর ডুবোতে চাওয়া।
অবাক নারীর অষ্পষ্ট সে কায়া—
তোর শরীরে পরপুরুষের ছোঁওয়া।
কবি যদি হোস, শরীর লুকিয়ে থাকে
কথার পিছনে গোপনে তোকেই ডাকে।
আবার আলস হলদে রঙের বালি
কবি তুই তোর বাস্তব ভুলে গেলি—
একলা হলেই ছন্দে ভালোবাসা
এই শুধু তোর অক্লান্ত হতাশা?
অন্ধকারে কালো বিন্দুর মতো
শুকনো ব্রণের ছাল-ওঠানো ক্ষত।
আবার দীঘার কালো সমুদ্রে স্নান—
ডুবতে ডুবতে এক বুক জল পান।
ডোবার সময় কেনো যে হেঁচকি ওঠে?
কামনা মানুষ কেনো মাখে মুখে ঠোঁটে?
ডুবতে ডুবতে শেষ বার পার দেখা—
বুকেতে প্রিয়াকে আঁকড়ে ধরতে শেখা।
কারখানাতেও হচ্ছে কবিতা লেখা—
বাচ্চাটাকে হাঁটতে তুইই শেখা—
কবি যদি হোস ধরবি আবার বুকে—
ছন্দে আলসে চোখটি রাখবি চোখে।
মুখটি তাহার দেখতে ভুলে গেলি?
সিঁথির পরে সাগর পারের বালি।
চোখের ভেতর পরিচয় থাকে নিকি?
আবার তাকে খুঁজে পা তুই দেখি।
সমুদ্র পারে একলা বসবাস।
একা একাই গুনবি নিজের শ্বাস—
মুক্তাগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা—
এবার কি তোর একলা বাঁচতে শেখা?
সমুদ্রপারে গর্জ্জন করে ঢেউ—
মন্দিরা কি শুনতে পাচ্ছে কেউ?
0 inputs:
Post a Comment