বলে ছিলে বহু দিন আগে,
ব্যক্তিত্ব সুঠাম হোক, চরিত্র সুদৃঢ়,
কল্পনায় অর্জ্জুন জাতক।
হয় তো বহুদিন পার,
আমার শহরের নদীর ওপারে বিদেশ—
তার পর, অনেক নারীর পেলব দেহের প্রান্তরে
শেষ নিঃশ্বাসের শ্রান্তি পেরোনোর পর,
হৃদয় বলিষ্ঠ পাশে আবদ্ধ মনে হয়;
হয়তো প্রেম যৌনতার অধঃগতি।
সেদিনের মেয়েটি, যাকে এশিয়ান জাতি বলে, তার—
খুঁজেনিকো মনের অভ্যন্তরে ভালোবাসার অঙ্গীকার,
তার অবোধ্য শীৎকারে বার বার দেহ লজ্জাহীন ভাবে
জেগেছে, ডেকেছে আরো কাছে,
আর বিষ্ফোরণের পর, পরাক্রান্ত মহীরূহ লজ্জা পায় নি আবার।
নারীর দেহের ভিতরে থাকে মন,
যোনির রসের মতো সতত মমতাই ক্ষরণ,
কোনো মা কি সন্তানের সাথে, মেতেছে
যৌনতার খেলাতে, আকাঙ্খা নিয়ে রাতে?
তাই পুরুষের ভবিষ্যত, হয়তো নারীর দেহের উপরে
নির্বোধ আত্মমেহন।
ছবি আঁকো বলেছিলে, আমার, তোমার, সবাকার
বুকে নখাঘাত, স্তন্যদায়িনী মাতার স্তনবৃন্ত ফুলে লাল,
তবু শিশু তার আবদার মাখে, মুখের লালাতে—
প্রতি রাতে নির্যাতিতা, প্রেমিক, পশু ও শিশুটির হাতে।
জন্মের সময়, গর্ভের প্রথম ভাঙে জল,
কিছু সময়, শিশুর মস্তিষ্ক মায়ের যোনিতে অচঞ্চল—
তার পর গর্ভের প্রবল আঘাতে
জন্ম হয় ভবিষ্যৎ, এক রাশ নৈরাশ্য হাতে।
ফুল ছিঁড়বে না, ওতে গাছের লিঙ্গ ও বোধ থাকে,
আমাকে ভালোবেসো লিঙ্গের কঠিন আঘাতে—
প্রত্যুত্তরে আমার মাধুর্য্য ক্ষরণ, শ্বাসাঘাত,
রক্তে, মাথায় আবেশ, নারীর সতীত্ব হরণ—
এটুকুই বুঝলে শুধু মন? শুধুই দেহের আন্দোলন—
আর তারপর, নিষ্পেশিত কঠিন হৃদয়।
অর্জ্জুন মৃত, আর জন্মাবার নয়।
0 inputs:
Post a Comment