Friday, October 23, 2009

মেসো- একটি অতি পুরোনো কবিতা

ছিলেন মেসো চেয়ারে বসে চশমা এঁটে সোজা,

শীতের দিনে গরম চাদর, পায়ে নীল মোজা।

হঠাৎ মেসোর বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্টের কাশি

নিজের বুককে আঁকড়ে ধরে বাঁচার মলিন হাসি।

আমার মেসো ছবি হলেন চশমা এঁটে ভোরে

এখনো তবু হাসতে চান প্রাণখুলে খুব জোরে।

মেসোর হাসি ছড়িয়ে পড়তো খোলা জানালা দিয়ে,

পাড়ার কাকু ছুটে আসতো এক খিলি পান নিয়ে।

মেসোর মুখ পান বোঝাই, টইটম্বুর রসে

পিক ফেলতেন পিচিক পিচিক জানালায় পাশে বসে।

মাছওয়ালা আকাব-উদ্দিন মেসোর জিগরি দোস্ত,

মাসিকে লুকিয়ে চলে যেতেন প্রায়ই খেতে গোস্ত।

আকাব তাই চলে আসে বিশাল মাছ নিয়ে,

প্রাণের শান্তি করতে চায় সেই মাছের মুড়ো দিয়ে।

ছবিতে বসা প্রবীণ মেসো, চন্দনে ও মালায়,

মিচকে হাসেন আকাব দেখে, চোখ যদিও থালায়।

মাছে গন্ধ আসছে নাকো ধূপ জ্বলছে থালায়,

আকাব তবুও বারে বারে ছবির দিকেই তাকায়।

আরো এসেছে সব্জীওয়ালা, টুনটুনি তার নাম,

বাবুর ছবিতে একবার সে করতে চায় প্রণাম।

আমিও এসেছি সবই দেখছি, দেখছি মেসোর হাসি

শোনার শব্দ দেখতে হচ্ছে বুকে ব্যথা ও কাশি।

 

 

1 inputs:

  1. ramyangshu- bangla lekha gulo khub koshto kore porte hocche. tao porlam. khub bhalo laglo... ekta manusher chole jawa ke etota ironical othocho shundor kore tule dhorecho...

    notun kobita lagiyechi... porbe esho...

    ReplyDelete