কালকের কবিতা কালকে লিখবো বলে,
বালিশের তলায় লুকিয়ে রাখলেম কাগজ কলম
আমি ঘুমোলেম, কিন্তু কবিতা ঘুমালো না।
তার সাদা পোষাক গিয়েছিলো ভিজে,
বাদামী গায়ের রঙ গলে মিশে গিয়েছিলো
সাদাটার সাথে---
দূর্গের মাঝে, কোনো এক বৃষ্টির প্রভাতে।
তার বাঁধানো রাস্তায় দুপাশে হাত তুলে,
তুমি খুব ভিজেছিলে,
সেই ধোঁয়াটে প্রভাতে
সবুজের সাথে--- একা শূণ্য হাতে।
স্মৃতি রেখেছিলে করে, ক্যামেরায় বেঁধে তারে
দেখেছিলো অনেকে, ভুলেছে সবাই
যাদের মনে আছে, বলবার ভাষা তার নাই।
দূর্গের রাস্তার লাল রঙে
তোমার নীল দুটি পা--
বৃষ্টিতে ভেজা সেই ধোঁয়াটে প্রভাতে
তুমি বেঁধেছো তোমার ক্যামেরাতে।
সেদিন বাতাস ছিলো খুব,
তবুও তোমার ভিজে চুল
তোমার গালে লেগে থাকে,
যেনো খুব ভালোবাসে তাকে।
বাতাসের প্রগল্ভ হাত, তোমার শরীরে ঘোরে,
তোমার দেহের উপত্যকাতে
বৃষ্টিতে ভেজা তোমার শরীর
কিসের আকাঙ্খায় আরোও ভিজে যায়।
তোমার নোনা স্বাদ, বৃষ্টিতে ধুয়ে ভেসে যায়,
সে পাহাড়ী দূর্গের গায়,
দূর্গের লাল রাস্তায়।
শরীরের বাদামী রঙ, আবরণের সাদার তলায়
ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যায়, নতুন সূর্য্যের আভায়--
বৃষ্টির জল-- সকলি শুকায়।
আর হৃদয়ের? তা কালি হয়ে নামে,
কবিতার সাদা পাতায়।
কালকের কবিতা আমারে আজকে জাগায়--
নিদারুণ প্রসব ব্যদনায়
0 inputs:
Post a Comment