আমার জন্ম এক মৃতপ্রায় বন্দরে, যে শহর অনেকদিন জাহাজ দেখেনি,
দেখেছে অনেক কৃষ্ণচূড়া গাছ—
বসন্তের রঙে লাল।
আমি অনেক শহরে থেকেছি,এক যান্ত্রিক শিল্প-রাজধানীতে,
সেখানেও বিকেলে সূর্য্যের আলো সব ধোঁয়ার রঙ থেকে বেশী রঙীন।
বিকেলের ট্রেনে সে শহর যখন তার সব আলো নিয়ে দূরে যায়,
আর সামনে থাকে কিছু শুকনো ক্ষেত আর গায়ে গায়ে বাড়ী
তখন একই মন হয়, যেমন আমার বন্দরের সবুজ গাছ।
অনেক পাহাড়ের উপরে খেলনা কাঠের বাড়ী, সেখানে আমার দিদি ও দিদির মেয়ে,
হঠাৎ বাঁকে সে হয় অদৃশ্য, কোনো রোমন্থনের সময় দেয় না।
আর এখানের নদীর পাশে ঘর,
এ শহর আমি দেখিনিকো তেমন, অনেক মানুষ আর ভাষা,
তার বৈচিত্র বিকেলে ছাড়া যায় না, আমি যাই রাতের নিঃস্তব্ধতায়—
যদিও দেখেছি বিকেলে তার দূরের রাস্তাগুলো— চায়ের বাগানে সবুজ।
আমি অনেক শহরে থেকেছি, অনেক দিন, অনেকের মতো আমিও
অভিজ্ঞ ডাক্তারের মতো, অনুভব করেছি তাদের নাড়ীর স্পন্দন,
বসেছি অনেক নদীর তীরে।
দক্ষিণের মেয়েটি বলেছিলো, ছাদের উঁচূতে, জলের ট্যাঙ্কের উপর বসে নাকি শহরের গান শোনা যায়।
0 inputs:
Post a Comment