আমি ছিলেম, আজও আছি,
বাতায়নে, -- অনেক দূরে।
আমি আছি তোমার মনে
বেশ গোপনে, স্বপ্ন পরে।
দীঘির পারে সূর্য্য ডোবে,
রোজ বিকালে, আনমনে-
ভাবার কথা ভাবায় নাকো,
হতাশ হাওয়ায়, এই বিজনে।
পথটি চলো, রোজই ভাবো,
ছাড়বো নাকি, ধরবো তারে--
প্রেমের কথাও মনে পড়ে,
কাজের শেষে, পুকুর পারে।
একটি লাল ঘুড়ি ওড়ে,
অনেক দূরে, ধরবে তারে?
গরম শেষে, শীতল শ্বাসে
একটি সাপ খোলস ছাড়ে।
অনেক দূরে, হাওয়ায় ভাসে,
পূজোর গান, মাইকে ছড়ায়,
তোমার মনে, বাতায়নে
শিউলি ফুল গন্ধ এলায়।
অনেক আগে, ছোটটি ছিলে,
চায়ের বনে, গাছের ছায়ায়,
ছোট হাতে হাত ধরতে,
লজ্জ্বা নেইকো হারলে খেলায়।
আজ তো অনেক বড় হয়েছো,
ভাবতে পারো, জটিল কথা,
তবুও কেন, এই বিকেলে,
ভাবায় তোমায় পুরোনো ব্যথা।
হয়তো অনেক বড় হওয়া,
ভেঙে যাওয়ার দামটি বেশি।
তবুও কিন্তু পথের লক্ষ্য
একটু খানি সরল খুশি।
তাই বিকেলে, কাজটি ভুলে,
চলে যেও পুকুর পারে,
সাপের খোলস, শাপলা ফুল,
হু হু বাতাস, জলের ধারে।
মুখটি দেখো, পুকুর জলে,
কাঁপতে থাকা চোখের তারা,
দেখেছিলেম, আজও দেখি
হয়তো অনেক দুরের পারা।
0 inputs:
Post a Comment