শুধু আরেকটু পথ, বা আরেকটু ক্ষণিকের অবস্থান,
নিত্য প্রগতির পর মুহুর্ত্তমাত্রের বিরাম।
পথ, শেষ হয়নিকো অজ্ঞানের, বা বিশ্রামের।
বিমুর্ত্ত কবিতা অনেক, জ্ঞানের, জীবনের, পরাজয়ের,
এঁকেছে মানুষ, বিস্ময়ে, বিদ্রোহে, গ্লানিতে,
ক্ষমতায়, অক্ষমতায়, মৃত্যুতে, অথবা জীবনে,
মানুষ চির-বিচরনশীল, নিজেরই পঙ্কিল পাকদণ্ডীতে।
সতত বিস্মিত, পরাজিত, পরাভূত।
আবেশ, শেষ ছোঁওয়ার, আশ্লেষ, চুম্বন,
মূহুর্ত্তমাত্রের বিস্মরণ, আর তার ভার,
বয়ে চলে, পৃথিবীর বোঝা,
অক্ষম, অনিচ্ছুক দৃঢ়তায়।
তারে ডেকে ডেকে, ভ্রান্ত অনেক পথচারি,
বিস্মিতা বিস্মৃত নারী, তবু যেন কোনো এক গোপন মায়াময়তায়,
তারে বারে বারে মনে পড়ে, যেনো মৃতা সঙ্গীনী, সংজ্ঞাবদ্ধ প্রায়,
তবু, বিস্মৃতপ্রায়,
তারে অসীম পুলকে ও স্বপ্নের সেবায়,
মানসপুরের ঘরে গোপনে সাজায়,
নিজেরই সেবায়।
আর হয়নাকো, আর কত সাজ, বিস্বাদ, বিস্বাদ সব,
যেনো রোমন্থক আত্মা তার,
আগের অসীমে ডুবে ডুবে,
মুক্তি আর স্মৃতি তুলে আনে,
পুরানো জীর্ণ ফুল-ঘ্রাণে,
বিস্মৃত পশ্চাত নিয়ে আসে,
আর নিজেরে দেখায়,
স্বপ্ন কমল কল্পনায়।
ভ্রান্তি যদি নয়, শান্তি দেখেনিকো কভু,
ভুল আর ভোলানো দুয়েরে পাশে রেখে হেঁটে চলে,
নিজেরে ভোলায় বা, নিজে ভুলে চলে,
কে সব মনে রাখে, স্মৃতি বা পুরোনো ঠোঁটের স্বাদ,
বা বুকের ঘ্রাণ, স্পর্শ ও আমেজ?
তবু ক্ষণিকের বিশ্রাম মাত্র, পথ,
অজ্ঞানের অথবা আঘ্রাণের
0 inputs:
Post a Comment